বিক্রমদার গোয়েন্দাগিরি – দ্বিতীয় খণ্ড

শুধুই ডিটেকটিভ স্টোরি লিখব—এমন ভাবনা নিয়ে আমি লেখালেখি শুরু করিনি।

তবে একটা হাড় হিম করা সত্য আমার জানা ছিল—একবার ক্রাইম থ্রিলার লিখতে শুরু করলে, পাঠক আমাকে ওই জঁরের (Genre) লেখক হিসেবেই মনে রাখবে।

কিন্তু অপরাধ ও ক্রিমিনাল মাইন্ডের সাইকোলজিক্যাল অ্যানালিসিস আমাকে বরাবরই আকর্ষণ করত। ফলে নব্বইয়ের দশকে দুটো বই লিখি, যেখানে ইনভেস্টিগেটর হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে এক্স-কমান্ডো বিক্রম ও তার কাজিন শমির।

এরপর শুকতারা ও আনন্দমেলা পত্রিকায় প্রায় ১৫ বছর ধরে চলে ওদের এই অভিযান।

মাঝখানে টেকনোলজি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় একটা লম্বা গ্যাপ। গত ২০ বছর আমি মূলত টেকনোলজি এবং কোডিং নিয়ে ইংরেজিতেই বইপত্র লিখেছি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ইংরেজিতে যখনই কোনো থ্রিলার লিখতে গেছি, বিক্রম চরিত্রটি প্রায় জোর করেই সেখানে ঢুকে পড়েছে।

আসলে কিছু চরিত্র থাকে যারা নাছোড়বান্দা, লেখককে ছাড়ে না। বিক্রমও তাই। তার ওপর সে এক্স-কমান্ডো। ফলে আমি নিজেও ওকে ভয় পাই।

ক্লোজ কমব্যাটে বিক্রমের রেঞ্জ-এর মধ্যে কেউ চলে এলে, তাকে নিউট্রালাইজ (neutralize) করতে ওর সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড।

সেজন্যই আমি চাই ও বইয়ের পাতার ভেতরেই থাক। ও যেন বেরিয়ে না আসে।

কারণ, বিক্রমকে বাস্তবে কাছে আসতে দেওয়ার বিপদটা আমার চেয়ে ভালো আর কে বুঝবে?

শেষ খবর – বিক্রমদার গোয়েন্দাগিরি – দ্বিতীয় খণ্ড অ‍াসতে চলেছে মার্চ মাসে। নজর রাখুন পত্রপাঠ প্রকাশনীর ওয়েবসাইটে।

গল্পটি ভালো লাগছে? পরের পর্ব পড়ুন:

পরবর্তী পর্ব: প্রোলোগ - শহরে দ্বিতীয় লাশ →