খুন হয়েছেন ‘ফ্রি প্রেস এক্সপ্রেস’-এর দাপুটে এডিটর-ইন-চিফ করুণাপ্রসাদ মুখার্জি । নিজের অ্যান্টি-চেম্বারের ভেতরেই অত্যন্ত বীভৎসভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে । লাশ উদ্ধারের পর দেখা যায়, সম্পাদকের প্যান্ট খোলা, মুখে গোঁজা মেয়েদের গোলাপি লেসি প্যান্টি আর গলায় ফাঁস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে একটি স্বচ্ছ গোলাপি ব্রা! কিন্তু তদন্তকারীদের সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে মৃতদেহের কোটর থেকে ঠিকরে বেরিয়ে আসা চোখ—মৃত্যুর ঠিক আগে এমন কী বীভৎস দৃশ্য তিনি দেখেছিলেন, যা তাঁকে চরম আতঙ্কিত করে তুলেছিল?
মুখ্যমন্ত্রীর গোপন নির্দেশে এই হাই-প্রোফাইল খুনের তদন্তে নামেন সাসপেন্ডেড চিফ ডিটেকটিভ মতিলাল মিস্ত্রী । তাঁর সঙ্গী ফিটনেস ফ্যানাটিক প্রাক্তন কম্যান্ডো বিক্রম এবং জিনিয়াস হ্যাকার পিজি । তদন্তে নেমেই মতিলাল আবিষ্কার করেন এক লম্পট, মাস্টার স্যাডিস্ট সম্পাদকের অন্ধকার অতীত এবং প্রভাবশালী পরিবারের অন্দরমহলের নোংরা কঙ্কাল । বিলাসবহুল অফিসের নিচেই হদিশ মেলে এক গোপন ‘টর্চার চেম্বার’ বা নরকের দরজার, যেখানে চলত বন্ডেজ ও ডমিনেশনের বীভৎস খেলা!
রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন জানা যায়, ২০ বছর আগে এই গোপন চেম্বার নির্মাণের কারিগর রাজমিস্ত্রি মুন্না শেখ ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনকভাবে মারা গেলেও, তার ছায়া আজও তাড়া করে বেড়াচ্ছে অপরাধীদের! ক্ষমতার লোভ, দীর্ঘদিনের ব্ল্যাকমেইল, আর বহু বছরের পুরোনো প্রতিশোধের খেলায় যখন একের পর এক লাশ পড়ছে, মতিলাল কি পারবেন এই ‘নরকের দরজা’ ভেদ করে আসল খুনিকে প্রকাশ্যে আনতে?